প্রাণের ৭১

ডিসেম্বর, ২০১৯

 

সামাজিক সংগঠনে যুক্ত হলে মানুষের জন্য কাজ করার প্রেরণা পাওয়া যায়।

সামাজিক সংগঠনে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রেরণা পাওয়া যায়। সামাজিক সংগঠনগুলোতে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে ইতিবাচক গুণাবলী তৈরী হয়। মানুষের মধ্যে নেতৃত্ব-গুণ তৈরী হয়। দায়িত্বশীলতা বাড়ে, সামাজিক দায়বদ্ধতা বাড়ে। একজন সামাজিক সংগঠনের কর্মী গান আবৃত্তি কিছু যদি নাও জানে তবুও তিনি একজন সংগঠন না করা মানুষের চেয়ে আলাদা। প্রতিটি সামাজিক সংগঠনের মৌলিক বিষয় একই। সামাজিক সংগঠন সবার মতকে শ্রদ্ধ্যা করা, সদস্য হিসেবে নিজ দায়িত্ব পালন করা, নিজেকে বিকশিত করা, একসঙ্গে কাজ করতে উদ্বুদ্ধ হওয়া সহনশীল হওয়া, ইত্যাদি শেখায়। তাছাড়া সুনির্দিষ্ট কিছু মূল্যবোধের ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনা করতে ও শিক্ষাআরো পড়ুন


করেরহাটে গেড়ামারা অনির্বাণ শীত উৎসব-২০১৯ অনুষ্ঠিত

রেদোয়ান জনিঃ মিরসরাই উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নের গেড়ামারা (ফরেস্ট অফিস) এলাকায়  অনির্বাণ ক্লাব কর্তৃক ২৭ ডিসেম্বর শুক্রবার গেড়ামারা ওয়াপদা মাঠে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হল “অনির্বাণ শীত উৎসব-২০১৯”। বৈরি প্রাকৃতিক পরিবেশ উপেক্ষা করে ক্লাবের প্রায় ৫৫ জন সদস্যের উপস্থিতিতে সকাল ৮.৩০ টা থেকে কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয় দিনের কার্যক্রম।   অনুষ্ঠিত হয় ঝুঁড়িতে বল নিক্ষেপ, মোরগের লড়াই, বেলুন ফোটানো ইভেন্টের ক্রীড়াপ্রতিযোগীতা।   বৃষ্টি আর শীতকে জয় করে নামায আর খাবারের বিরতি শেষে অনুষ্ঠিত হয় আমন্ত্রিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন প্রতিনিধিদের শুভেচ্ছা বক্তব্য। দুপুরের খাবারে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি,  ক্লাবের সদস্য ছাড়াও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতিনিধিগণ অংশআরো পড়ুন


স্যার ফজলে হাসান আবেদ আর নেই

ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার রাত ৮টা ২৮ মিনিটে রাজধানীর বসুন্ধরার অ্যাপোলো হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।   ব্র্যাকের চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।   মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। তিনি স্ত্রী, এক মেয়ে, এক ছেলে এবং তিন নাতি-নাতনি রেখে গেছেন।       ২২ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত তার মরদেহ ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে। দুপুর সাড়ে ১২টায় আর্মি স্টেডিয়ামেই নামাজে জানাজা সম্পন্ন হবে। জানাজারআরো পড়ুন


পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফের ফাঁসি

রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় পাকিস্তানের সাবেক সামরিক শাসক পারভেজ মোশাররফকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে পেশোয়ারের বিশেষ আদালতের তিন সদস্যের বেঞ্চ এ রায় দেন। বিচারকদের এই প্যানেলে ছিলেন পেশওয়ার হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ওয়াকার শেঠ, সিন্ধ হাইকোর্টের বিচারপতি নজর আকবর এবং লাহোর হাইকোর্টের বিচারপতি শহীদ করিম।     পাকিস্তানের সাবেক এই সেনাপ্রধান ২০১৬ সালের মার্চে চিকিৎসার জন্য দুবাই যান। পরবর্তীতে ব্যক্তিগত সুরক্ষা এবং স্বাস্থ্যগত কারণ উল্লেখ করে তিনি আর দেশে ফেরেননি। উল্লেখ্য, ২০০১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ছিলেন পারভেজ মোশাররফ। ২০০৭ সালে বেআইনিভাবে সংবিধান বাতিল ও জরুরিআরো পড়ুন


মুক্তিযুদ্ধকালে বুদ্ধিজীবী হত্যা এবং বিচার

১৯৭১-এর ৯ মাসে ৫৬ হাজার বর্গমাইলের এই বাংলাদেশে যে গণহত্যা হয়েছে সেটি ছিল অত্যন্ত সুপরিকল্পিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বের কোথাও এ ধরনের গণহত্যা ঘটেনি। ’৭১-এর গণহত্যার একটি ভয়ঙ্কর অভিব্যক্তি হচ্ছে তালিকা প্রস্তুত করে দেশের শীর্ষস্থানীয় বুদ্ধিজীবী ও পেশাজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করা।   পরাজয় নিশ্চিত জেনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দ্বারা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জামায়াতের দলীয় ঘাতক বাহিনী ‘আলবদর’ এই বুদ্ধিজীবী হত্যা কার্যকর করেছিল, যার নীলনকশা প্রণয়ন করেছিলেন জামায়াতের শীর্ষ নেতারা।   জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘকে রূপান্তর করা হয়েছিল ‘আলবদর’ বাহিনীতে, যার নেতৃত্বে ছিলেন ছাত্র সংঘের শীর্ষ নেতা মতিউর রহমানআরো পড়ুন


গণহত্যার দায় প্রকাশ্যে স্বীকার করতে সুচির প্রতি ৭ নোবেলজয়ীর আহ্বান

রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যাসহ নৃশংস অপরাধের বিচারে আর কিছুক্ষণের মধ্যে হেগে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতে আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড়াচ্ছেন মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচি। এ আদালতে তিনি তার দেশের সেনাবাহিনীর পক্ষ অবলম্বন করছেন। এ জন্য সারা বিশ্ব থেকে তার দিকে বাঁকা চোখে তাকাচ্ছেন পর্যবেক্ষকরা। তবে এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খবর হলো, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা সহ চালানো অপরাধ প্রকাশ্যে স্বীকার করে নিতে অং সান সুচির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সাতজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী। তারা হলেন ২০০৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইরানের শিরিন এবাদি, ২০১১ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী লাইবেরিয়ার লিমাহ গোউই, ২০১১আরো পড়ুন