প্রাণের ৭১

রবিবার, ফেব্রুয়ারি ২৩rd, ২০২০

 

বিশ্বের প্রথম ‘মহিলা ভাষা-শহিদ, ভুলে যায় বাঙালি

যদি বলা হয় আমার বোনের রক্তে রাঙানো ১৯ মে । না, কোনও ভুল হবে না। বিস্মৃত বিশ্বের একমাত্র ‘মহিলা ভাষা-শহিদ’ কমলা ভট্টাচার্য। ক’জন জানেন কমলা ভট্টাচার্যের নাম? ১৯ মে, ১৯৬১, এই দিনেই অসমের শিলচরের এগারো জন বাঙালি, মায়ের ভাষা রক্ষার জন্য এবং মায়ের ভাষায় কথা বলার জন্মগত অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রাণ উৎসর্গ করেছিলেন। অন্যতম কমলা। কমলা ভট্টাচার্যর জন্ম ১৯৪৫ সালে, অসমের শ্রীহট্টে। কমলাদের পরিবার ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় এক বিতর্কিত গণভোটের মাধ্যমে আসামের শ্রীহট্ট জেলা পাকিস্তানের অন্তর্ভূক্ত হয়। কমলারা পাকিস্তানেই থেকে যান। কিন্তু ১৯৫০ সালে পূর্ব পাকিস্তানে হিন্দুদের সার্বিক গণহত্যাআরো পড়ুন


পুলিশের এসআইয়ের কোপে ক্ষতবিক্ষত ৪ জন, স্ত্রীকে দিয়ে উল্টো মামলা

জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বসা পারিবারিক শালিসে প্রতিপক্ষের মা সহ তিন সহোদরকে বীভৎস ভাবে কুপিয়ে জখম করেছে পুলিশের এক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই)। বেপরোয়া আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত দুই সহোদর কক্সবাজার সদর হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। মাথা, চোয়াল ও ডান হাতের কব্জি কেটে গিয়ে চির পঙ্গুত্বের দিকে ধাবিত হচ্ছেন আহতদের একজন।   গুরুতর আহতরা হলেন, ডুলাহাজারা ইউনিয়নের রং মহল এলাকার মরহুম ডা. আবু তাহেরের ছেলে হাফেজ আবু দারদা (৩৫), আবদুল্লাহ আল নোমান (৩০), কামরুল হাসান, তাদের মা রহিমা আক্তার, তার ছেলের বউ ইয়াছমিন আক্তার। এএসআই বখতিয়ার বৈরাগীরখীল গ্রামের মৃত ফয়েজ আহমদের ছেলে। তিনিআরো পড়ুন


বাংলাদেশীদের বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে ‘সতর্ক থাকার পরামর্শ’ দিয়েছেন- আইইডিসিআর

মোহাম্মদ হাসানঃ বাংলাদেশে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, আইইডিসিআর করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব চীন বাদে আরো বেশকিছু দেশে ছড়িয়ে পড়ায় বাংলাদেশ থেকে বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে ‘সতর্ক থাকার পরামর্শ’ দিয়েছে। তবে বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে এই সতর্কতা কোনো আনুষ্ঠানিক সতর্কতা বা নিষেধাজ্ঞা নয় বলে গণমাধ্যমে এমনটি জানিয়েছেন আইইডিসিআরের পরিচালক মীরজাদি সাবরিনা ফ্লোরা। ‘করোনাভাইরাস যেহেতু বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ছে, তাই খুব প্রয়োজন না হলে বিদেশ ভ্রমণ করাকে নিরুৎসাহিত করছি আমরা, তবে নিষেধ করছি না’, বলেন আইইডিসিআরের পরিচালক। দেশের বাইরে ভ্রমণ করে ফেরত আসা কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের মাধ্যমে যেন ভাইরাস দেশে প্রবেশ করেতে না পারে,আরো পড়ুন


অশনি সংকেত!

বাংলাদেশের ভেতর আরেকটি দেশ প্রতিষ্ঠার পাঁয়তারা করছে সন্তু লারমা-মোহাম্মদ হাসান

পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি চুক্তির ২৩ বছেরে পা রাখলেও আবার অশান্ত হয়ে উঠছে পার্বত্য এলাকা। অশান্তির মূল কারণ হলো পার্বত্য শান্তিচুক্তির অবাস্তবায়ন। ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের মধ্য দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যকার ‘পার্বত্য শান্তিচুক্তি’ সম্পাদিত হয়। শান্তিচুক্তি সম্পাদনের আজ ২ত বছর চলেছে, তথাপি পার্বত্য শান্তিচুক্তির মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ বিধানগুলো আজ অবধি বাস্তবায়িত হতে পারেনি। আমরা সবাই জানি যে পার্বত্য চট্টগ্রামের জুম্ম জনগণ, জুম্ম জাতিগুলোর অস্তিত্ব রক্ষা এবং তাদের নিজ নিজ ভাষা-সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সুরক্ষার ভিত্তিতে মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপনের জন্যআরো পড়ুন