প্রাণের ৭১

আমার মা যদি হত্যার নির্দেশ দিতেন, তাহলে তিনি এখনো ক্ষমতায় থাকতেন-জয়

ঢাকা, ২১ জানুয়ারি ২০২৬: আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উত্তরসূরি ও বর্তমান প্রজন্মের প্রতিনিধি সজীব ওয়াজেদ জয় আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে একটি শক্তিশালী ও নৈতিক বার্তা দিয়েছেন, যা আওয়ামী লীগের মানবিক মূল্যবোধ ও জনকল্যাণমুখী রাজনীতির প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

সাক্ষাৎকারে সজীব ওয়াজেদ জয় স্পষ্টভাবে বলেন, “আমার মা যদি হত্যার নির্দেশ দিতেন, তাহলে তিনি এখনো ক্ষমতায় থাকতেন।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছেন যে, শেখ হাসিনা কখনোই ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য জনগণের রক্ত ঝরাতে রাজি ছিলেন না। বরং তিনি সর্বোচ্চ সংযম ও ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন, যা একজন সত্যিকারের জননেত্রীর বৈশিষ্ট্য। ২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় ঘটে যাওয়া অনেক ঘটনা সত্ত্বেও শেখ হাসিনা কোনো হত্যার নির্দেশ দেননি—এটি তাঁর মানবিকতা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জনগণের প্রতি অগাধ ভালোবাসার প্রমাণ।

আওয়ামী লীগের সমর্থক ও সচেতন নাগরিকরা এই বক্তব্যকে উচ্চ প্রশংসা করছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে লিখছেন—“মুজিব থেকে সজীব—মুক্তি আর বিজয়”। এই সাক্ষাৎকারে জয় শেখ হাসিনার শাসনামলের উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির কথাও তুলে ধরেন, যা বাংলাদেশকে একটি উন্নয়নশীল দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, আওয়ামী লীগ কখনোই সহিংসতার পথে হাঁটেনি; বরং শান্তি ও উন্নয়নের পথেই দেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।

এই সাক্ষাৎকার আওয়ামী লীগের জন্য একটি ইতিবাচক মাইলফলক। এটি প্রমাণ করে যে, দলটি এখনো জনগণের পাশে রয়েছে এবং নৈতিকতার ভিত্তিতে রাজনীতি করে। সজীব ওয়াজেদ জয়ের মতো শিক্ষিত, প্রযুক্তিবিদ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের উপস্থিতি দলকে নতুন করে সংগঠিত হওয়ার এবং ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হওয়ার পথ দেখাচ্ছে।

আওয়ামী লীগের প্রতিটি কর্মী-সমর্থকের জন্য এটি একটি অনুপ্রেরণা—যে দলের নেতৃত্ব ক্ষমতার লোভে জনগণের জীবন বিসর্জন দিতে রাজি নয়, সেই দলই সত্যিকার অর্থে জনগণের দল।






মতামত দিন।

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*