প্রাণের ৭১

বুধবার, জুন ৩rd, ২০২০

 

মৃত্যুযন্ত্রণায় টানা ৩ দিন পানিতে দাঁড়িয়ে ছিল হাতিটি

মৃত্যুর আগ পর্যন্ত টানা তিন দিন বিচ্ছিন্ন শুঁড় ও ক্ষতবিক্ষত মুখ পানিতে ডুবিয়ে রেখেছিল সেই হাতিটি। শারীরিক যন্ত্রণা থেকে স্বস্তি পেতে মাথা তুলতে চায়নি সে। ময়নাতদন্তে ওই হাতির পেটে বাচ্চারও অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।     ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের রাজ্য কেরালাতে একটি অন্তঃসত্ত্বা হাতির মৃত্যুর ঘটনায় বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। আনারসের ভেতরে বিস্ফোরক ভরে হাতিটিকে খাইয়ে দেওয়া হয়েছিলো। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, উত্তর কেরলের মালাপ্পুরমের এক বন বিভাগের কর্মকর্তা সোশ্যাল মিডিয়ায় এই হত্যাকাণ্ডের বিশদ বিবরণ দেওয়ার পরে তা ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর পোস্ট থেকে জানা যায়, হাতিটি জঙ্গল থেকে বেরিয়ে এসেআরো পড়ুন


মৃতদেহ থেকে করোনা ছড়ানোর কোন আশঙ্কা নেই- স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

মোহাম্মদ হাসানঃ বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা গেলে তার দাফন ও সৎকার নিয়ে নানা ধরণের ভয়-গুজব,ভুলধারণা জনমনে ভর করে মানবিকতা যখন আাঁছড়ে পড়ছে ঠিক সেই সময়ে মৃতদেহ থেকে করোনাভাইরাস ছড়ানোর কোন আশঙ্কা নেই বলছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডাঃ নাসিমা সুলতানা বলেছেন যে, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার তিন ঘণ্টা পর ওই মৃতদেহে আর ভাইরাসটির কোন কার্যকারিতা থাকে না।ফলে মৃতদেহ থেকে এই ভাইরাস ছড়ানোর কোন আশঙ্কা তিনি বলেন, “মৃতদেহ দাফন বা সৎকার করতে তিন চার ঘণ্টা সময় লেগেইআরো পড়ুন


দেশে করোনায় গত একদিনেও মৃত্যু ৩৭ আক্রান্ত ২৬৯৫ সুস্থ ৪৭০

মোহাম্মদ হাসানঃ ভয়াবহ বৈশ্বিক মহামারী প্রানঘাতী করোনা ভাইরাসে বাংলাদেশে দিন দিন বাড়ছে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।বিশ্বে করোনা আক্রান্ত দেশগুলোর মধ্যে এরই মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ২১ তম স্থানে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ২৬৯৫ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫৫ হাজার ১৪০ মৃত্যু হয়েছে আজও ৩৭ জনের সর্বমোট মৃতের সংখ্যা ৭৪৬ জন। করোনা জয়ী হয়ে নতুন করে আরো ৪৭০ জন সহ মোট ১১ হাজার ৫৯০ জন ঘরে ফিরেছেন। আজ ৩ জুন বুধবার দুপুর আড়াইটায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত অনলাইন  স্বাস্থ্য বুলেটিনে সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানাআরো পড়ুন


করোনায় কর্মহীন গার্মেন্টস শ্রমিকদের আর্থিক সহায়তা দেবে ইউই

করোনা ভাইরাসের প্রভাবে দেশে কর্মহীন হয়ে পড়া গার্মেন্টস শ্রমিকদের আগামী তিন থেকে ছয় মাস আর্থিক সহায়তা দেবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। প্রাথমিকভাবে ৫০ কোটি ইউরো বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪ হাজার ৯০০ কোটি টাকা সহায়তার বিষয়ে আলোচনা চলছে।   এই তহবিলের মাধ্যমে কমবেশি ১০ লাখ শ্রমিককে সহায়তা করার লক্ষ্য রয়েছে। আগামী জুলাই থেকে এ তহবিলে সহায়তা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হতে পারে। কর্মচ্যুত হয়ে পড়া শ্রমিকদের প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে।   সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে এ ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। সহায়তারআরো পড়ুন