প্রাণের ৭১

Sakib Mohammad

 

কানার হাট বাজার !

এসএমঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে দুটো খবরের সূত্র ধরে লেখাটা শরু করতে চাই। প্রথম খবরটি ছিল পহেলা জুলাইয়ে। ওইদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শতবর্ষ উদযাপন করে। সংবাদটি ছিল এরকম, “শিক্ষা ও গবেষণার গুণগত মান নিশ্চিত করার অঙ্গীকার গ্রহণের মধ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন”। দ্বিতীয় সংবাদটি এর সপ্তাহ তিনেক পরে। খবরটি এরকম, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাজেট বাড়লেও কমেছে গবেষণা বরাদ্দ। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে প্রকাশিত রাসেল সরকারের প্রতিবেদনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরের ভঙ্গুর চিত্র কিছুটা উঠে এসেছে। জানা যায়, দুই বছর আগের বাজেটে গবেষণায় যত বরাদ্দ ছিল, গতবার তার চেয়ে কম ছিল। এবার আরো কমেছে। অথচ বাজেটেরআরো পড়ুন


বাজারে নয়া দাবি !

এসএমঃ বাজারে নয়া দাবি উঠছে। হুজুরবাদি লোকজনই এই দাবি তুলতেছেন। তাদের দাবী মাদ্রাসা বা তার আশেপাশে হুজুরদের বৌ নিয়ে থাকতে দিলে তারা কচি তালেবুল এলেমদের উপরে তারা আর রাতে উপগত হবেন না বা সমকামিতায় লিপ্ত হবেন না। মাদ্রাসা বাদিরা এই প্রথম একটা সমস্যাকে যৌক্তিকভাবে চিহ্নিত করতে পারছেন। তাদের অভিনন্দন জানাই। যৌনতা পেটের ক্ষুধার মতই একটা ব্যাপার। ক্ষুধা সর্বগ্রাসী হয়ে উঠলে মানুষ ঘাস, লতা, গাছের পাতা সবই সিদ্ধ করে খায়। এইটা খোদ বাংলাদেশেই চুয়াত্তরের মন্বন্তরে দেখা গেছে। ক্ষুধার চোটে মানুষ নিজের পরিবার, বন্ধু বান্ধবদের মাংস খাইছে এমন উদাহরনও আছে। আধুনিক যুগে এমনআরো পড়ুন


ভারতে অস্থিরতার বিষয় বাংলাদেশ !

পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক হঠাৎ করেই আবার আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে। তবে তা যতটা না বাংলাদেশে হচ্ছে, তার চেয়ে অনেক বেশি ঘটছে ভারতে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে এখন একধরনের অস্থিরতা ও উদ্বেগ স্পষ্ট। দ্য হিন্দু পত্রিকা (বিস্ময়কর ও বিভ্রান্তিকর শিরোনামে) জানিয়েছে যে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার চার মাস ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাক্ষাৎ চেয়েও তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পারেননি (শেখ হাসিনা ফেইলড টু মিট ইন্ডিয়ান এনভয় ডেসপাইট রিকোয়েস্টস: ঢাকা ডেইলি, হিন্দু অনলাইন, ২৫ জুলাই, ২০২০)। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের টেলিফোনের পরই ভারতীয় বিশ্লেষক ও বুদ্ধিজীবীরা বিষয়টিকে ভারতের জন্য দুঃসংবাদ হিসেবেআরো পড়ুন


লাদাখে চীনের ৪০ হাজার সেনা

সাকিবঃ চীন কথা রাখেনি। পূর্ব লাদাখের একাধিক জায়গা থেকে তারা সরে যায়নি। ফলে ভারতও লাদাখে মোতায়েন করা অতিরিক্ত তিন ডিভিশন সেনা সরিয়ে নিচ্ছে না। গালওয়ান উপত্যকার হট স্প্রিং ও ফিঙ্গার ৪ ছেড়ে চীনের সেনা পিছু হটলেও ডেপসাং, গোগরা ও প্যাংগং লেকের ফিঙ্গার ৫-এ এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছে। এই জায়গাগুলো থেকে সরে যাওয়ার কোনো ইঙ্গিত চীন এখনো দেয়নি। সরকারি সূত্র এই খবর জানিয়েছে এনডিটিভিকে। সূত্রমতে, ১৪ ও ১৫ জুলাই দুই দেশের সেনা পর্যায়ের শেষ আলোচনায় ঠিক হয়েছিল ফিঙ্গার ৫ থেকে চীনের সেনারা ফিঙ্গার ৮-এ সরে যাবে। দুই দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টারআরো পড়ুন


যুদ্ধাপরাধী মঈনুদ্দীনের ঔদ্ধত্য

সাকিবঃ একাত্তরে যুদ্ধাপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ আদালত যাঁদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন, তাঁদের একজন চৌধুরী মঈনুদ্দীন। পলাতক থাকায় তাঁর দণ্ড কার্যকর হতে পারেনি। যেমন পারেনি  আশরাফুজ্জামান ও আবুল কালাম আজাদের মৃত্যুদণ্ডও। স্বাধীনতার পরপরই চৌধুরী মঈনুদ্দীন যুক্তরাজ্যে এবং আশরাফুজ্জামান যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যান। তাঁদের অনুপস্থিতিতে বিচার হয়। অন্যদিকে, আবুল কালাম আজাদ বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হতেই দেশ ত্যাগ করেন। পরে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে চৌধুরী মঈনুদ্দীনের বিষয়ে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড অ্যালার্ট জারি এবং ব্রিটিশ সরকারের কাছে তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। কিন্তু ব্রিটিশ সরকার কোনো সাড়া দেয়নি। সেই দণ্ডিত যুদ্ধাপরাধী সম্প্রতি ব্রিটিশ সরকারেরআরো পড়ুন


হাসিনাকে ইমরানের টেলিফোন

সাকিবঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। আজ বুধবার বেলা একটার দিকে টেলিফোন করে কুশলাদি বিনিময় করে বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়া করোনা ও বন্যা পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন ইমরান খান। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ইমরান খানের মধ্য প্রায় ১৫ মিনিট কথা হয়। প্রেস সচিব আরও জানান, টেলিফোনে কুশলাদি বিনিময়ের পর ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে বাংলাদেশে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি ও এর মোকাবিলায় সরকার কর্তৃক গৃহীত উদ্যোগগুলো সম্পর্কে জানতে চান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সরকার করোনা সংক্রমণ মোকাবিলায় এবং এর চিকিৎসা ক্ষেত্রে যেসব উদ্যোগআরো পড়ুন


আয়মান সাদিকের ভিডিওটা দেখে আমার কাঁদতে ইচ্ছা করছে।

আয়মান সাদিকের ভিডিওটা দেখে আমার মাটিতে বসে কাঁদতে ইচ্ছা করতেসে। আমার মনে পড়তেসে অনন্ত বিজয় দাসের কথা। তিনি জানতেন তাঁকে মেরে ফেলা হবে। ক্রমাগত তাঁকে হুমকি দেয়া হচ্ছিল। আন্তর্জাতিক সংস্থা পেন-এর গেস্ট হিসেবে মনোনীত হয়েছিলেন অসম্ভব মেধাবী এই মানুষটি! চেষ্টা করছিলেন সবকিছু গুছিয়ে আনতে। ভিসা প্রসেসিং-এ দেরি হয়ে যাচ্ছিল। উদ্ভ্রান্তের মত পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন আততায়ীদের হাত থেকে। ২০১৫ সালের ১২ই মে নিজের বাসার একটু সামনে প্রকাস্য দিনের আলোয় রাস্তার মাঝখানে তাঁকে কুপিয়ে মারা হয়। তাঁর মৃতদেহের ছবি আমি দেখেছি। হাত দিয়ে মাথা রক্ষা করতে চাইছিলেন। হাতটা ক্ষত বিক্ষত হয়ে গিয়েছিল। অনন্তআরো পড়ুন


কর্মফল বোধ হয় এইটারেই বলে!

ডিজিটাল আইন তো করা হইছিল ব্লগারদের ঠেকানোর জন্য। সেই সময়ে এই আইনে পরোক্ষ সমর্থন দিয়েছিল আব্দুর নুর তুষার, মোস্তফা সারোয়ার ফারুকির মতন মডারেট মুসলমানেরা। সরাসরি সমর্থন দিয়েছিল হেফাজতে ইসলাম সহ অনান্য ইসলামি ঘরানার মাওলানা-মুফতি, মাদ্রাসার ছাত্র, ধার্মিক আম জনতা সবাই। আজকে ব্লগারদের অনেকে কবরে। অনেকে বিদেশে। অনেকে চুপচাপ হয়ে গেছে একেবারে।   কর্মফল বোধ হয় এইটারেই বলে। যারা যারা ব্লগারদের বিরুদ্ধে এই আইনকে সমর্থন দিয়েছিল তারাই আজকে আমার জাদু সোনারে ডিজিটাল আইনে ধরে নিয়ে গেছে বলে কান্নাকাটি করতেছে। মত প্রকাশের স্বাধীনতার জন্য আহাজারি শুরু করছে। তবে এখনো তারা শুধুই নিজেদেরআরো পড়ুন


বিতর্কিত ডিজিটাল আইন ব্যবহার করে স্বাধীনমত প্রকাশ বন্ধ করছে বাংলাদেশ !

গত এপ্রিল মাসে বিতর্কিত আইনে কমপক্ষে ২০ জন সাংবাদিককে অভিযুক্ত বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত এপ্রিল থেকে মে প্রথম ভাগ পর্যন্ত বিতর্কিত ডিজিটাল সুরক্ষা আইনের (ডিএসএ) অধীনে বাংলাদেশের কমপক্ষে ২০ জন সাংবাদিককে অভিযুক্ত করা হয়েছে বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যা দক্ষিণ এশীয় দেশটিতে বাক-স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।   সরকারের সমালোচনা করা বা করোন ভাইরাস মহামারীকে সরকার পরিচালনার বিষয়ে রিপোর্টিংয়ের জন্য বেশ কয়েকজন  সাংবাদিক ও অনলাইন এক্টিভিষ্টকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থার বাংলাদেশের  অনুচ্ছেদ  ১৯ নিয়ে গবেষণা অনুসারে চলতি বছরের মে ডিএসএর অধীনে ২২ জন সাংবাদিকসহআরো পড়ুন


দেশে চামচাতন্ত্র চলছে !

সাকিবঃ এরশাদের দুর্নীতির সঙ্গি মঞ্জুর ছেলে আন্দালিব রাহমান পার্থ ও ফরিদপুরের রাজাকার মুসার পত্রু ববি হাজ্জাজ দুইজন আওয়ামীলীগের শীর্ষ পর্যায়ের আত্নিয়। মজার বিষয় এরা দুইজনেই এরশাদের যাবতিয় দুর্নীতির বেনিফিশিয়ারি।। এরা সারাদিন আওয়ামীলীগ সরকারের সমালোচনার নামে এমন কোন খারাপ কথা নেই বলে না। আরো মজার বিষয় ছাত্রলীগ যুবলীগ প্রশাসন এদের ব্যাপারে একবারে নিরব অথছ সাধারন মানুষ বললেই দোষ এমনকি একজন শিক্ষকের ব্যাপারেও কোন ছাড় নেই! শুধু এখানেই শেষ নয়, আজ যদি খালেদা হাসিনা বলে  যদি তারা বলে, আমি একটা মুরগী কিনেছি, সাথে সাথে তার অনুসারীরা বলে, আমাদের নেত্রীর মুরগী সোনার ডিমআরো পড়ুন