প্রাণের ৭১

চ্যাম্পিয়নস লিগ: বায়ার্নের স্বপ্ন ভেঙে টানা দ্বিতীয় বার ফাইনালে পিএসজি

ইউরোপিয়ান ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চ উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠেছে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। প্রথম লেগ ৪-৫ গোলে জিতে মিউনিখে এসেছিল প্যারিসিয়ানিরা। এবার সেমিফাইনালের উত্তেজনাপূর্ণ দ্বিতীয় লেগে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করলেও ৬-৫ অ্যাগ্রিগেটে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে ফরাসি ক্লাবটি।

আগের লেগের গোলবন্যার পর এই ম্যাচেও শুরুটা ছিল দারুণ রোমাঞ্চকর।

মাত্র ৩ মিনিটেই এগিয়ে যায় পিএসজি। ফাবিয়ান রুইজ বায়ার্ন রক্ষণভাগ ভেঙে খাভিচা কাভারেস্খেইয়ার কাছে বল বাড়ান। তার নিখুঁত ক্রসে ১২ গজ দূর থেকে জোরালো শটে গোল করেন উসমান দেম্বেলে। এতে ম্যাচে ১-০ ও দুই লেগ মিলিয়ে ৪-৬ গোলের লিড পায় লুইস এনরিকের দল।
 

এরপরই প্রথমার্ধে একাধিক বিতর্কিত রেফারিং সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষুব্ধ ছিল বায়ার্ন শিবির। বিশেষ করে একটি হ্যান্ডবল পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র আপত্তি জানায় তারা। নুনো মেন্দেস ও পরে জোয়াও নেভেসের দুটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, তবে রেফারি বায়ার্নের সব আবেদন নাকচ করে দেয়।

প্রথমার্ধের শেষদিকে বায়ার্নের হয়ে হ্যারি কেইন ও লুইস দিয়াজ বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও পিএসজির রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষক মাতভেই সাফোনভ দৃঢ় অবস্থানে ছিলেন।

 

বিরতির পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে বায়ার্ন। একাধিক আক্রমণ ঠেকিয়ে দেন সাফোনভ। অন্যদিকে দেম্বেলে ও কাভারেস্খেইয়া ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি।

শেষ দিকে বদলি খেলোয়াড়দের দিয়ে আক্রমণ বাড়ায় বায়ার্ন। তবে কার্ল ও দিয়াজের প্রচেষ্টা পিএসজির রক্ষণভাগে আটকে যায়।

 

ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে বায়ার্ন কিছুটা আশা ফিরে পায়। ইনজুরি টাইমে হ্যারি কেইন গোল করে ম্যাচে সমতা আনেন। তবে দ্বিতীয় গোল আর না পাওয়ায় তাদের বিদায় নিশ্চিত হয়ে যায়।

সব নাটকীয়তা শেষে শেষ হাসি হাসে পিএসজি। ৫-৬ অ্যাগ্রিগেটে জয় নিয়ে তারা পৌঁছে যায় চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে। এবার ৩০ মে বুদাপেস্টে তাদের সামনে আর্সেনাল। গানার্সরা ২০০৫/০৬ মৌসুমের পর প্রথমবারের মতো ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ফাইনালে উঠেছে।






মতামত দিন।

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*