গত ২৩ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রকাশ করা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য দেওয়া হয়।
এতে বলা হয়, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশে হামের সংক্রমণ স্পষ্টভাবে বেড়েছে।

গত ২৩ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রকাশ করা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য দেওয়া হয়।
এতে বলা হয়, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশে হামের সংক্রমণ স্পষ্টভাবে বেড়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৬ সালের ১৫ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত সন্দেহভাজন মোট ১৯ হাজার ১৬১ হাম রোগীর তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ২ হাজার ৯৭৩ জনের নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হয়েছে।
আকস্মিক ভয়াবহ সংক্রমণের কারণ উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, এবারের প্রাদুর্ভাবের আগে বাংলাদেশ হাম নির্মূলের পথে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছিল। ২০০০ সালে প্রথম ডোজ টিকার কভারেজ ছিল ৮৯ শতাংশ। ২০১৬ সালে তা বেড়ে হয় ১১৮ শতাংশ।
তবে ২০২৪-২০২৫ সালে হাম-রুবেলা টিকার জাতীয় ঘাটতি ও নিয়মিত টিকাদানের দুর্বলতায় বর্তমান প্রাদুর্ভাব সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া ২০২০ সালের পর নিয়মিত গণটিকাদান না হওয়ার কারণেও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুর সংখ্যা বেড়েছে বলে মনে করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, টিকাবিহীন ও অপর্যাপ্ত টিকা পাওয়া শিশুদের মধ্যে হামের ব্যাপক সংক্রমণ দীর্ঘমেয়াদি ও গুরুতর সংকটের আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।