প্রাণের ৭১

প্রবাসে থেকেও তৃণমূলের হৃদয়ে আব্দুল্লাহ আল মামুন ভূঁইয়া দুঃসময়ে কর্মীদের পাশে থেকে হয়ে উঠেছেন আস্থার প্রতীক

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজনীতির প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ পায় দুঃসময়ে। ক্ষমতা, পদ-পদবি কিংবা প্রভাব নয়—সংকটের সময় নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানোই একজন প্রকৃত রাজনৈতিক কর্মীর পরিচয়। সেই বাস্তবতারই একটি উজ্জ্বল উদাহরণ শেখ হাসিনা ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব ও মালয়েশিয়াপ্রবাসী রাজনৈতিক সংগঠক আব্দুল্লাহ আল মামুন ভূঁইয়া

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মালাপাড়া ইউনিয়নের সন্তান আব্দুল্লাহ আল মামুন ভূঁইয়া দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করলেও নিজ এলাকার রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন। প্রবাসে থেকেও তিনি নিয়মিত তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, তাঁদের খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং সাংগঠনিক ঐক্য অটুট রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

এলাকার আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের একাধিক নেতাকর্মীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাজনৈতিক প্রতিকূল সময়েও আব্দুল্লাহ আল মামুন ভূঁইয়া কখনোই নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেননি। বরং নিয়মিত ফোন, অনলাইন যোগাযোগ ও বিভিন্ন মাধ্যমে তাঁদের খোঁজখবর নিয়েছেন, সাহস জুগিয়েছেন এবং দলীয় আদর্শে অটল থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

স্থানীয় তৃণমূলের একাধিক নেতাকর্মী বলেন,
“অনেকেই কঠিন সময়ে নীরব হয়ে গেছেন কিংবা যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন। কিন্তু আব্দুল্লাহ আল মামুন ভূঁইয়া আমাদের ভুলে যাননি। তিনি নিয়মিত খোঁজখবর নেন, সাহস দেন এবং সবসময় বলেন—সংগঠনকে ধরে রাখতে হবে, আদর্শ থেকে বিচ্যুত হওয়া যাবে না।”

আরেকজন তৃণমূল নেতা বলেন,
“তিনি প্রবাসে থাকলেও আমাদের সুখ-দুঃখের খবর রাখেন। ব্যক্তি নয়, সংগঠনকেই বড় মনে করেন। তাঁর আন্তরিকতা, দায়িত্ববোধ ও সাংগঠনিক নিষ্ঠা আমাদের নতুন করে অনুপ্রাণিত করে।”

আব্দুল্লাহ আল মামুন ভূঁইয়া বলেন,
“বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শুধু একটি রাজনৈতিক দল নয়; এটি স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের প্রতীক। ব্যক্তি নয়, সংগঠনই বড়—এই বিশ্বাস থেকেই আমি সবসময় তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করি।”

তিনি আরও বলেন,
“দুঃসময়েই প্রকৃত কর্মীর পরিচয় প্রকাশ পায়। যারা আজও আদর্শ ধরে রেখেছেন, তারাই আগামী দিনের শক্তি। ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে। বিভেদ নয়, ঐক্যই হবে আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।”

তিনি বলেন,
“প্রবাসে থাকলেও আমার হৃদয় সবসময় দেশের মাটির সঙ্গে এবং তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে রয়েছে। তাঁদের পাশে থাকা, সাহস জোগানো এবং সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখা একজন কর্মী হিসেবে আমার নৈতিক দায়িত্ব।”

তিনি আরও বলেন,
“আজ ব্যক্তিকে প্রতিষ্ঠিত করার সময় নয়, সংগঠনকে শক্তিশালী করার সময়। তৃণমূলের কর্মীদের মূল্যায়ন, তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ এবং পারস্পরিক আস্থা ফিরিয়ে আনাই এখন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারি, তাহলে যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব।”

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে তিনি বলেন,
“বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং শেখ হাসিনার রাজনৈতিক দর্শন ধারণ করেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সকল নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তৃণমূলই সংগঠনের প্রাণশক্তি, আর সেই শক্তিকে আরও সুসংগঠিত করাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব।”

স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, প্রবাসে থেকেও যেভাবে আব্দুল্লাহ আল মামুন ভূঁইয়া তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রেখেছেন এবং দুঃসময়ে সাহস জুগিয়ে যাচ্ছেন, তা সংগঠনের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা, দায়িত্ববোধ ও আদর্শিক অবস্থানের প্রতিফলন। তাঁদের বিশ্বাস, এমন নেতাদের সম্পৃক্ততায় তৃণমূলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে এবং নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি হবে।






মতামত দিন।

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*