৫ আগস্টের পর দুঃসময়ে লাকসাম–মনোহরগঞ্জ নেতাকর্মীদের ভরসার নাম জাকির হোসেন
৫ আগস্টের পর দুঃসময়ে লাকসাম–মনোহরগঞ্জ নেতাকর্মীদের ভরসার নাম জাকির হোসেন
গ্রেফতারকৃতদের জামিনে সহযোগিতা, পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো ও তৃণমূলে ঐক্যের বার্তা
রাজনৈতিক প্রতিকূলতার কঠিন সময়ে সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে, তাদের সাহস জোগানো এবং তৃণমূল পর্যায়ে ঐক্য ধরে রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির আহ্বায়ক, মনোহরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, মনোহরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং ফ্রেন্ডস অব রিয়াদ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন।
লাকসাম–মনোহরগঞ্জ অঞ্চলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতে, ৫ আগস্টের পর দেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যখন আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মী মামলা, গ্রেফতার, হয়রানি ও নানা অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হন, তখন মোঃ জাকির হোসেন ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও সাংগঠনিক দায়বদ্ধতা থেকে তাদের পাশে দাঁড়ান। দুঃসময়ে কর্মীদের খোঁজখবর নেওয়া, আইনি সহায়তার ব্যবস্থা করা এবং তাদের মনোবল ধরে রাখতে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা নেতাকর্মীদের মধ্যে আস্থার সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত কয়েক মাসে লাকসাম ও মনোহরগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়ন, ওয়ার্ড এবং তৃণমূল পর্যায়ে গ্রেফতার হওয়া অনেক নেতাকর্মীর জামিন প্রক্রিয়ায় তিনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন। আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ, মামলার সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তারা।
শুধু আইনি সহায়তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেননি মোঃ জাকির হোসেন। গ্রেফতার হওয়া নেতাকর্মীদের পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেওয়া, আর্থিক সংকটে থাকা পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো এবং মানবিক সহযোগিতা প্রদানেও তিনি ভূমিকা রেখেছেন বলে জানান তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।
তাদের মতে, রাজনৈতিক দুঃসময়ে অনেকেই যখন নিজেদের নিরাপত্তা ও অবস্থান নিয়ে ব্যস্ত, তখন মোঃ জাকির হোসেন মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন। ইউনিয়ন থেকে ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত কর্মীদের সমস্যার কথা শুনেছেন, তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন এবং সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় রাখার চেষ্টা করেছেন।
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকে মোঃ জাকির হোসেন মনে করেন, একটি রাজনৈতিক দলের মূল শক্তি হচ্ছে তার তৃণমূলের কর্মীরা। সেই বিশ্বাস থেকেই তিনি অবহেলিত, মূল্যায়নবঞ্চিত, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং তাদের সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর ঘনিষ্ঠজনরা।
লাকসাম–মনোহরগঞ্জের রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুসময়ে নেতৃত্ব দেওয়া তুলনামূলক সহজ হলেও দুঃসময়ে কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোই একজন নেতার প্রকৃত পরিচয় বহন করে। সেই বিবেচনায় বর্তমান প্রতিকূল রাজনৈতিক বাস্তবতায় মোঃ জাকির হোসেনের ভূমিকা নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন আস্থা তৈরি করেছে।
তারা আরও মনে করেন, সংগঠনের ভেতরে বিভেদ দূর করে ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং তৃণমূলকেন্দ্রিক রাজনীতিকে শক্তিশালী করার যে প্রয়োজনীয়তা তৈরি হয়েছে, সেখানে মোঃ জাকির হোসেনের কর্মকাণ্ড ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। তাঁর নেতৃত্বে লাকসাম–মনোহরগঞ্জে নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে পড়ছে বলেও মনে করছেন অনেকে।
তৃণমূল নেতাকর্মীদের ভাষ্য, একজন রাজনৈতিক নেতার প্রকৃত মূল্যায়ন হয় কঠিন সময়ে তাঁর আচরণ ও ভূমিকার মাধ্যমে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে মোঃ জাকির হোসেন বর্তমানে অনেক নেতাকর্মীর কাছে শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং একজন অভিভাবক, সহযোগী এবং আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইতিহাসে সেই নেতারাই স্মরণীয় হয়ে থাকেন, যারা প্রতিকূল সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং সংগঠনের স্বার্থকে ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে স্থান দেন। লাকসাম–মনোহরগঞ্জের তৃণমূল রাজনীতিতে মোঃ জাকির হোসেনের বর্তমান ভূমিকা ভবিষ্যতের রাজনৈতিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
