প্রাণের ৭১

৫ আগস্টের পরও থেমে যাননি: প্রবাসে থেকেও নেতাকর্মীদের পাশে, ঐক্যের বার্তা দিচ্ছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন ভূঁইয়া

সৌরভ আহম্মেদ সুমন

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন শেখ হাসিনা ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব এবং মালয়েশিয়া প্রবাসী রাজনৈতিক সংগঠক আব্দুল্লাহ আল মামুন ভূঁইয়া।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মালাপাড়া ইউনিয়নের সন্তান আব্দুল্লাহ আল মামুন ভূঁইয়া দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করলেও নিজ এলাকার রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। প্রবাসে থেকেও তিনি তৃণমূলের নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখছেন।

রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও নেতাকর্মীদের পাশে থাকা, তাদের মনোবল ধরে রাখা এবং ঐক্যবদ্ধ রাখতে তার ভূমিকা নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে প্রশংসা রয়েছে।

আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক শুভেচ্ছা বার্তায় আব্দুল্লাহ আল মামুন ভূঁইয়া বলেন,
“বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শুধু একটি রাজনৈতিক দল নয়, এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ধারক-বাহক। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া এই সংগঠন দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক।”

তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগের ইতিহাস হচ্ছে ত্যাগ, সংগ্রাম ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাস। দীর্ঘ ৭৭ বছরের পথচলায় দলটি নানা প্রতিকূলতা ও সংকট মোকাবিলা করে জনগণের পাশে থেকেছে।”

৫ আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে অনেক নেতাকর্মী নানা অনিশ্চয়তা ও প্রতিকূলতার মধ্যে পড়েছেন। সেই সময় থেকেই একজন কর্মী হিসেবে আমি নেতাকর্মীদের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। তাদের খোঁজখবর নেওয়া, সাহস জোগানো এবং সাংগঠনিকভাবে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ রাখার জন্য কাজ করে যাচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “ওয়ার্ড থেকে ইউনিয়ন, ইউনিয়ন থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত অনেক নেতাকর্মীর সঙ্গে আমার নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীরা যেন অবহেলিত না হন, তাদের পাশে দাঁড়ানো এবং সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করা একজন কর্মী হিসেবে আমার দায়িত্ব।”

মালয়েশিয়া প্রবাসী এই নেতা বলেন, “প্রবাসে থাকলেও আমার হৃদয় সবসময় দেশের মাটির সঙ্গে যুক্ত। ব্যক্তি নয়, সংগঠনই বড়—এই বিশ্বাস থেকেই আমি নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।”

তিনি বলেন, “তৃণমূল নেতাকর্মীরাই আওয়ামী লীগের মূল শক্তি। তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে, পাশে দাঁড়াতে হবে এবং সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে হবে। ঐক্যবদ্ধ নেতাকর্মীরাই যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম।”

শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে গেছে। দেশের মানুষের কল্যাণে তার অবদান ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।”

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ, ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদ এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আত্মত্যাগকারী সকলের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

সবশেষে তিনি বলেন, “সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের দর্শন ধারণ করে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করাই আমাদের অঙ্গীকার।”

তিনি দলের সকল নেতাকর্মীর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সাংগঠনিক সাফল্য কামনা করেন।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।






মতামত দিন।

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*